Whilst many of us will be planning our staycations this Summer, recess provides a crucial opportunity for..
Filter by Party
“১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হলেও এদেশের
মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। পাকিস্তানী আমলে শুরু হয় নিপীড়ন, নির্যাতন ও শোষণের
এক নতুন অধ্যায়। প্রতিবাদে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে প্রতিরোধের আন্দোলন। ১৯৫২ সালের মহান
ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এল ১৯৭১ সালের মহান
মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতার সংগ্রাম।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানী হানাদার
বাহিনী যখন এদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বরের মতো ঘৃণ্য হামলা চালায় তখন এর আকস্মিকতায়
দিশেহারা হয়ে পড়ে সর্বস্তরের জনগণ। সেই সময় একটি নেতৃত্ব একটি আহ্বানের বড়ই প্রয়োজন
ছিল। সেই ঐতিাহিসক মুহূর্তে বেতারে ভেসে এল একটি কণ্ঠ ‘আমি মেজর জিয়া বলছি’ এবং সেইসঙ্গে
ঘোষণা এল বাংলাদেশের স্বাধীনতার, আহ্বান এল সর্বশক্তি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার।
এই আহ্বানে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ-কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, যুবক, বুদ্ধিজীবী, সৈনিকসহ
আপামর জনসাধারণ ঝাঁপিয়ে পড়ল মুক্তিযুদ্ধে। বৃহত্তর চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কুমিল্লা
জেলার কিয়দংশে মেজর জিয়া সংগঠিত করেন মুক্তিপাগল সকল শ্রেণীর মানুষকে এবং পরবর্তীতে
বিখ্যাত ‘জেড ফোর্সের’ অধিনায়ক হিসেবে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেন সেই
রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে। দীর্ঘ ৯ মাস মরণপণ লড়াই করে অর্জিত হল সবুজ জমিনের ওপর রক্তলাল
সূর্যখচিত পতাকাসমৃদ্ধ স্বাধীন বাংলাদেশ- আমাদের প্রিয়
মাতৃভূমি। লাখো শহীদের পবিত্র রক্ত আর হাজার হাজার মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত
হল এদেশের স্বাধীনতা। গণতন্ত্র এখানে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে, শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটবে, অর্থনৈতিক
সমৃদ্ধি অর্জিত হবে এবং আত্মনির্ভরশীল ও মর্যাদাসম্পন্ন জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বের দরবারে
মাথা উঁচু করে দাঁড়াব- এই ছিল সেদিনের স্বপ্ন মহান
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।”